Taking too long? Close loading screen.

মাদ্রাসা পরিচিতি

আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানীনগর,
একটি বেসরকারী ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আল্লাহ তা’আলার অপার অনুগ্রহে জামিয়ার ভিত্তি তাকওয়ার উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং জামিয়া তাকওয়ার দুগ্ধ দ্বারা লালিত হয়েছে। জামিয়া এমন কতিপয় লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যেগুলো সূচনা সূচনা পূর্ব থেকেই বাস্তবায়ন করে আসছে। আল্লাহ তা’আলার তাওফিকে নিজ লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে জামিয়া এ পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এর জন্য সকল কৃতিত্ব ও প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার।
প্রভু মোদের প্রশংসা, নেয়ামত, দান সব তো তোমার প্রশংসায় ও মহিমায় কেউ তো নয় বড় তোমার,
জামিয়া দুই দশকেরও কম সময়ে এমন অবদান রেখেছে যা বিরল ও আঙ্গুল দিয়ে নির্দেশ করার মত, যা চিরকাল সাফল্যের পূর্ব লক্ষণ সফলতার পূর্বাভাস হয়ে থাকবে। বস্তুত, জামিয়া নিরব নৈঃশব্দে এক অবিরাম জিহাদে ব্রতী রয়েছে। এ পথে সে, সব ধরনের কষ্ট-ক্লান্তি হাসি মুখে বরন করেছে।
আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানী নগর, বাংলাদেশের বেসরকারী বৃহত ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহের অন্যতম। তার কতিপয় বিশেষ বৈশিষ্ট রয়েছে, যা সহজেই তাকে অন্য অনেক মাদ্রাসা থেকে পৃথক পরিচয়ে পরিচিতি দান করে। সে সব বৈশিষ্টের মধ্যে সম্ভবত প্রথম বৈশিষ্ট হলো, জামিয়া তার সান্তানদেরকে স্বচ্ছ ইসলামী তরবিয়াতের আলোকে গড়ে তোলে। বস্তুত, জামিয়া আলিম (?) তৈরীর পূর্বে ‘মানুষ’ নির্মাণের উপর জোর দেয়, এবং দেশ ব্যাপী হাকডাক সম্পন্ন ব্যক্তি জন্ম দেয়ার পূর্বে মানব কাঠামোর কিছু মৌলিক উপাদান তৈরীর প্রতি গুরুত্ব দেয়। জামিয়ার এই বৈশিষ্ট নিকট ও দূরের সবার কাছে স্বীকৃত। আর এসবই হয়েছে প্রথমত আল্লাহ তা’আলার বিশেষ অনুগ্রহে, দ্বিতীয়ত সে সব ক্লান্তিকর চেষ্টা ও অবিরাম সাধনার বদৌলতে, যা জামিয়ার পরলোকগত প্রতিষ্ঠাতা ইখলাস ও ছাওয়াব প্রাপ্তির আশায় এ পথে ব্যয় করেছেন।
ভৌগলিক অবস্থান :
জামিয়া দারুল উলুম মাদানী নগর, রাজধানী ঢাকার জিরোপয়েন্ট থেকে সাড়ে এগার কিঃ মিঃ   দূরুত্বে দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত। ঢাকা –চট্রগ্রাম বিশ্বরোডের উত্তর পার্শে জামিয়ার অবস্থান।
ইলমী বংশধারা :
জামিয়া দারুল উলুম মাদানী নগর, ভারত উপমহাদেশের বেসরকারী সকল ইসলামী শিক্ষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সূতিকাগার, ভারতের আয্‌হার ও এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহত ধর্মীয় আলো বিকিরণের প্রাণকেন্দ্র আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম দেওবন্দ-এর দিকে সম্পর্কীর, যার লক্ষ্য মিশন ছিল, মুছলমানদের অতীত গৌরব ফিরিয়ে আনা, হ্রত ইসলামী শাসন পুনরোদ্ধার করা, এবং ইসলামী শিক্ষা ও নববী জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখা উপশাখার সংরক্ষণ করা।
জামিয়ার মহান প্রতিষ্ঠাতা ও পরলোকগত প্রাণপুরুষ শায়খ ইদ্রিস সন্দিপী ( রহঃ)  এর মাধ্যমে দারুল উলুম দেওবন্দের সেই মহান মিশনের প্রাণশক্তি আমাদের জামিয়া দারুল উলুম মাদানী নগরে এসছে। শায়খ সন্দেপী ছিলেন আল্লাহ ওয়ালা বড় আলিমগনের অন্যতম একজন এবং বাংলাদেশের মাটিতে জন্ম গ্রহনকারী দেওবন্দী ওলামা-মাশায়েখের মধ্যে অন্যতম।
জামিয়ার প্রতিষ্ঠা :
জামিয়া ৭ শাওয়াল ১৪০৪ হিজরী মোতাবিক ৩১ শে ডিসেম্বর ১৯৮৪ ঈসায়ীতে প্রতিষ্ঠিত হয়। জমিয়েতে উলামায়ে হিন্দ প্রধান, আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম দেওবন্দ (ভারত)-এর পরামর্শসভার মহামান্য চেয়ারম্যান, আল্লাহ ওয়ালা বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন, ফিদায়ে মিল্লাত ( জাতির স্বার্থে উতসর্গীত) সাইয়্যেদ আসআদ আল্‌ মাদানী (দা. বা.) জামিয়ার ভিত্তি প্রস্তর করেন।
মাসলাক্‌ :
জামিয়া আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের পূর্বসূরী আলিমগণের অনুসৃত আকীদা-বিশ্বাসে বিশাসী।
প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট :
প্রতিষ্ঠাতা শায়খ সন্দিপী (রহঃ) প্রায় ৩০ বছর নিজ এলাকা সন্দিপে ইল্‌মের খেদমত এবং মানুষের ইসলাহ ও সংশোধনের কাজে ব্রতী থেকেছেন। এ সময় তাঁর হাতে জন্ম নেয় হাজার হাজার আলিম এবং আল্লাহর পথে নিবেদিত প্রাণ বিশাল এক জামাত। তারপর আল্লাহ তাঁর অন্তরে এক বিশেষ অনুপ্রেরণা জাগ্রতা করলেন। শায়খ তাঁর অন্তরে রাজধানী ঢাকা ও পাশ্ববর্তী এলাকাসমুহে ইসলামী ইসলামী শিক্ষার প্রচার-প্রসারে প্রবৃত্ত হওয়ার প্রবল আগ্রহ লক্ষ করলেন। তিনি ঢাকা অভিমুখে যাত্রা করলেন। প্রথমে তিনি নরসিংদি জেলার ইসলামপুর এলাকায় একটি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। এই মাদরাসার মসজিদেই তিনি লাগাতার সাত বছর প্রতি রমযানে এ’তেকাফ করেন। ইসলামপুর মাদরাসাটি যখন তিলে তিলে গড়ে উঠল, ধীরে ধীরে মুকুলিত হলো, তখন তিনি ঢাকায় আসেন। একটি বৃহতাকারের মাদরাসা প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। কিন্তু সে সব স্থানের একটিও তাঁর পছন্দ হলো না। অবশেষে তিনি কাফেলাসহ ঢাকার প্রাণকেন্দ্র থেকে দক্ষিণ পূর্ব কোণে সাড়ে এগার কিলোমিটার দূরুত্বে অবস্থিত কাঁচপুর ব্রিজের অদূরে “নিমাইকাশারী” ( বর্তমান মাদানী নগর (১) ) এলাকায় পৌঁছলেন এবং সেখানে দীর্ঘদিনের লালিত শত বাসনা বাস্তবায়নের আশা নিয়ে পরিকল্পিত মাদরাসা প্রতিষ্ঠার সিদ্ধন্ত নিলেন।
উল্লেখ্য যে, “নিমাইকাশারী” নামক এলাকাটি তখন হত্যা ও লুন্ঠনের অরণ্য এবং ডাকাত ও সন্ত্রাসীদের আড্ডাখানা হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিল। তাই মানুষ দিন-দুপুরেও এই এলাকার পার্শ্বদিয়ে অতিক্রম করতে আতংবোধ করত। খুন-খারাবী, ধর্ষণ এবং ছিনতাই ও লুন্ঠনের জন্য প্রশিদ্ধ এই নিমাইকাশারী এলাকাকেই শায়খ জামিয়া প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন করলেন। তখন তাতে আল্লাহর কী হেকমত নিহিত ছিল তা হৃদয়ঙ্গম করা মানুষের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তারা ভালোভাবেই উপলব্দি করতে পেরেছে যে, আল্লাহ তা’আলা বস্তুত তাঁর ওলীকে ব্যবহার করে এই এলাকার রক্তপাতকারী ও খুনীদের জীবনের মোড় পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন শায়খকে দিয়ে ঘন অন্ধকারাচ্ছন্ন এই এলাকায় আলো বিকিরণ করবেন। তাই এই এলাকার প্রতি তাঁর অন্তরে বিশেষ অনুরাগ ও আকর্ষণ সৃষ্টি করেছেন। মানুষ যখন এলাকার সে সময়ের পরিস্থিতি স্বরণ করে আজকের বিদ্যমান অবস্থার দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে, তখন তারা আল্লাহ তা’লার ক্ষমতা দেখে রীতিমত অবাক হয় এবং বলতে বাধ্য হয়-“ হে আল্লাহ! তুমি পবিত্র, তুমি আমাদের যা শিক্ষা দিয়েছ, আমরা তো শুধু তা-ই জানি। নিশ্চয় তুমি মহাজ্ঞানী ও প্রজ্ঞাবান”। যে জামিয়ার সূচনা ছিল মাত্র ১৬ জন ছাত্র দিয়ে, সে জামিয়া আজ শতের অধিক ছাত্রে গিজগিজ করছে।
জামিয়ার পরিবেশ :
আল্লাহ তা’আলার উপর তায়াক্কুল ও ভরসা করে এবং তাঁর জন্য নিজের ধর্মপরায়ণতা ও সকল কার্যাদি নিবেদিত করে, শায়খের প্রবল মেহনত এবং ধারাবাহিকতা মোজাহাদা ও ত্যাগের বদৌলতে, জামিয়া দু’দশকের কম সময়ে বিস্ময়কর উন্নতি লাভ করেছে এবং আশ্চর্যজনক অগ্রগতি অর্জন করেছে। প্রায় চার বিঘা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানীনগর, ঢাকা, বর্তমানে তিনটি ছাত্রাবাস দ্বারা সজ্জিত। তন্মধ্যে দু’টি ভবন তিন তলা বিশিষ্ট, অপর একটি দ্বিতল। আরো রয়েছে তিন তলা বিশিষ্ট আধুনিক নির্মাণ শিল্পে সমৃদ্ধ একটি বিস্তৃত সুন্দর মসজিদ। তিন দিক থেকে ছাত্রাবাস ও এক দিক থেকে মসজিদ বেষ্টিত জামিয়ার মধ্যস্থলে রয়েছে একটি শ্যামল সুন্দর প্রাঙ্গণ। তাতে অপূর্ব বিন্যাসে বর্ধনশীল অনেক সতেজ সজীব চারাগাছ রয়েছে। সেগুলো যেন অভিজ্ঞ কোন মালী অথবা  দক্ষ কোন প্রকৌশলী রোপন করেছে। তাছাড়া এখানে ওখানে বিভিন্ন উদ্ভিদ ও গুল্ম ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, যা প্রাঙ্গনের সৌন্দর্য ও শোভা বৃদ্ধি করেছে এবং ক্রমশ যেন প্রাঙ্গনের সৌন্দর্য আর জৌলুস বেড়েই চলছে।
এভাবে জামিয়ার প্রাঙ্গন দর্শকদের চোখকে শীতল করে এবং আগুন্তুককে নিজ সৌন্দর্যের আকর্ষণে মুগ্ধ করে। দর্শক তা প্রত্যক্ষ করে আনন্দিত হয় এবং সে যেখানেই যায় জামিয়ার স্মৃতি বহন করে নিয়ে যায়। প্রত্যেক ছাত্রই প্রত্যাশা করে, সে যদি এই জামিয়ায় ভর্তি হত, তাহলে ইল্‌মের প্রমোদ ও মনোরকম দৃশ্যের বিনোদ উভয়টি সে এক সাথে লাভ করত।
জামিয়ার লক্ষ্য উদ্দেশ্য :
দারুল উলুম দেওবন্দের নেক সন্তান হিসেবে এবং দারুল উলুম দেওবন্দের চিন্তা-চেতনা ও লক্ষ্য-টার্গেটকে গভীরভাবে উপলব্দিকারী হিসেবে জামিয়ার প্রতিষ্ঠাতায় শায়খ সন্দিপী (রহঃ) যে সমস্ত আবেগ ও চেতনা দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক উত্তারাধিকার রূপে লাভ করেছেন, সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করাই হল জামিয়ার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য। সুতরাং আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানী নগর, ঢাকা-এর প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য হল-
১. আরবী ব্যাকরণ ও বালাগাত (অলংকার শাস্ত্র) ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট বিষয়সমুহ এবং কুরআন-হাদীস থেকে উতসারিত ফিকাহ (ইসলামী আইন শাস্ত্র), আকাঈদ শাস্ত্র ( ইসলামী দর্শন) ইত্যাদি বিষয়সহ কুরআন-হাদীসের গভীরতর ও সহজতর শিক্ষাদান।
২. ইসলাম অনুধাবন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যে কোন বাড়াবাড়ি ও শিথিলতা থেকে দূরে অবস্থান করে, ইসলাম বিষয়ে অন্তরদৃষ্টিসম্পন্ন এমন একদল আলিম তৈরী করা, যাঁরা যুগের প্রত্যাশিত পদ্ধতিতে ইসলামের সেবায় আগ্রহী থাকবে।
৩. মুসলমানদের সন্তানদের অন্তরে আহ্‌লে সুন্নাত ওয়াল্‌ জামাতের আকীদা-বিশ্বাস দৃঢ়মূল করণ।
৪. বিশিষ্ট ও সাধারণ সর্ব শ্রেনীর মানুষের উপযোগী করে ইসলামকে উপস্থাপন করণ। নিম্মোক্ত বাণীতে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ ( রাঃ) এ কথাই বলেছেন-“তুমি যদি মানুষের সামনে এমন কথা বল যা তাদের অনুধাবন শক্তির উর্ধ্বে, তাহলে তা কারো কারো জন্য ফেতনার কারণ হয়ে যাবে”।                                                     ( মুকাদ্দিমাতু মুসলিম, পৃষ্ঠা-৯)
৫.  ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির সংরক্ষণ এবং সমৃদ্ধ ইসলামী উত্তরাধিকারের ত্তত্বাবধান।
৬. আরবী ভাষা ও সাহিত্যের ব্যাপক প্রচার-প্রসার। কারণ, আরবী ভাষাই হল কুরআন-হাদীসের জ্ঞান-বিজ্ঞানের পাত্র। তাই এই ভাষায় একজন মানুষের যে পরিমাণ পারদর্শিতা অর্জন হবে, তাঁর কুরআন-হাদীসের সরাসরি জ্ঞান ততটুকু অর্জন করা সম্ভব হবে। বস্তুত আরবী ভাষার গভীরে অনুপ্রবেশ এবং আরবী ভাষাতত্ত্বের অগাধ জ্ঞান অর্জন করা ব্যতিত কুরআন ও হাদীসের গভীরে পৌঁছা কল্পনা করা যায়।
জামিয়ার বৈশিষ্ট্য :
দারুল উলুম দেওবন্দ-এর দিকে সম্পর্কীত ভারত উপমহাদেশের কওমী মাদরাসাগুলো যে সমস্ত বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল, আমাদের এই জামিয়াও সে সমস্ত বৈশিষ্ট্যে ধন্য। আল্লাহর জন্যই সর্ব প্রকারের সমস্ত প্রসংশা। তবে দু’টি জিনিসকে জামিয়ার সবচেয়ে স্পষ্ট ও দৃশ্যমান বৈশিষ্ট বলা যায়। হাজার হাজার মাদরাসার মধ্যে অল্পসংখক মাদরাসাই এই বৈশিষ্ট্যদ্বয়ের ধন্য হয়েছে। বৈশিষ্ট দুটি হল-
১. সমস্ত কর্মকান্ড ও ততপরতায় ইখলাছ ও একনিষ্ঠতা এবং ইহ্‌তিসাব্‌ ও ছাওয়াব প্রাপ্তির মনোভাব। কারণ, জামিয়ার বিশ্বাস হলো, যে কাজ আল্লাহর জন্য হতা স্থায়ী ও চিরন্তন থাকে। আর যা গায়রুল্লাহ তথা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো সন্তুষ্টি লাভের জন্য করা হয় তা অস্থায়ী ও সাময়ীক হয়।
২. ছাত্রদেরকে পরিচ্ছন্ন ইসলামী প্রতিপালনে প্রতিপালিত করা। বস্তুত, জামিয়া আলিম (?) তৈরীর পূর্বে ‘মানুষ’ নির্মাণের উপর জোর দেয় এবং দেশব্যাপী হাকডাক সম্পন্ন ব্যক্তি জন্ম দেয়ার পূর্বে মানব কাঠামোর কিছু মৌলিক কিছু মৌলিক উপাদান তৈরীর প্রতি গুরুত্ব দেয়।
উপরোক্ত বৈশিষ্ট্য দু’টি জামিয়ার যে কোন দর্শনার্থীর নজর কাড়ে, সে যত সাধারণই হোক না কেন।